—রুশাইদ আহমেদ
শারদীয় দুপুর। চড়ুইদের মৃদুমন্দ কিচির-মিচিরে দুলছে ঈষদুষ্ণ হাওয়া।
মেঘেদের ইতি-উতি উপস্থিতিতে মননের ভূগোলে শুধু সংশয়ের পায়চারি!
মগজজুড়ে প্রশ্নমালার সংঘর্ষে কি জন্ম নেবে সবুজ ভিত্তিপ্রস্তর? যার মোড়ক উন্মোচন করলেই এই পৃথিবীর বন্দী পাখিরা হয়ে যাবে অবমুক্ত!
কতদিন পর তুমি আজ কবিতা লিখতে বসলে। কার নামে যেন জিকির ধরায় তোমার পরিপূর্ণ ঠোঁট দুটো বরইয়ের পাতার মতো কাঁপতে শুরু করলো।
কাগজের বদলে আধুনিক ওয়ার্ড ফাইলকে লেখার ময়দান হিসেবে বেছেছো তুমি। ফন্টটা গতানুগতিক নয়। চোখে পড়ে পুরোনো প্রিন্টারের অস্পষ্ট খসড়া কম্পোজিশন।
তবে আমার ‘ডাকনাম’ যে-ই না তুমি একটা পঙক্তিতে লিখলে—অমনি তোমার ঠোঁটদ্বয়ে নামলো স্থিরতা। তুমি মানো, বা না মানো—এটাই পোড় খাওয়া আবেগের হ্যালুসিনেশন!